ID Card

ভোটার আইডি কার্ড কতবার সংশোধন করা যায় ২০২৫ (আপডেট তথ্য)

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন নিয়ে আমাদের অনেকের মনে প্রশ্ন রয়েছে যে, প্রতি নাগরিকের একটি ভোটার আইডি কার্ড কতবার সংশোধন করা সম্ভব? প্রকৃতপক্ষে ভোটার আইডি কার্ড শুধুমাত্র ১ বার সংশোধন করা যায়। তবে এই পরিবর্তন অবশ্যই যুক্তিযুক্ত হতে হবে। আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে আমরা আপনাকে “ভোটার আইডি কার্ড কতবার সংশোধন করা যায়” এবং ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য প্রদান করবো। তাই এই এই পোস্টটি শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

২০০৮ সালের পর জাতীয় পরিচয় পত্র অর্থাৎ ভোটার আইডি কার্ড প্রদান শুরু হওয়ার পর থেকে ভোটার আইডি কার্ডে বিভিন্ন ধরনের ভুলের অভিযোগ পান উপজেলা নির্বাচন অফিসে ও জাতীয় নির্বাচন কপমিশনের ওয়েবসাইটে। এই সামান্য ভুলের কারণে নাগরিকদের নানা ধরনের সমস্যা এবং হয়রানির সম্মুখীন হতে হয়। তবে এই সমস্যার সমাধানের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশন বেশ কিছু সমাধানের উপায় উল্লেখ করেছেন তাদের নীতিমালায়। ফলে নাগরিক স্বল্প সময়ের মধ্যে জাতীয় পরিচয় পএ অর্থাৎ ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার সুযোগ পান।

ভোটার আইডি কার্ড কতবার সংশোধন করা যায় ২০২৫

ভোটার আইডি কার্ড (জাতীয় পরিচয়পত্র বা NID) সর্বোচ্চ ১ বার সংশোধন করা যায়। তবে এই সংশোধন অবশ্যই যুক্তিযুক্ত কারণসমূহের সাথে যুক্ত হতে হবে এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র উপস্থাপন করতে হবে। যদি কোনো যুক্তিযুক্ত প্রমাণ না থাকে তাহলে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। বর্তমানে (নভেম্বর ২০২৫) নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা প্রকাশের প্রস্তুতির কারণে NID সংশোধন প্রক্রিয়া অস্থায়ীভাবে স্থগিত রয়েছে। আগামী ১৩তম নির্বাচনের পর জাতীয় নির্বাচন কমিশনের এই সেবাটি পুনরায় চালু হবে।

আরও জানতে পারেনঃ ভোটার নাম্বার দিয়ে আইডি কার্ড চেক ২০২৫

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে সর্বোচ্চ কতদিন সময় লাগে

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে সাধারণত ৭ থেকে ৩০ কর্মদিবস সময় লাগে। তবে জটিল ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সময় হিসেবে ৪৫ কর্মদিবস পর্যন্ত হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে এই সময় কম বা বেশি হতে পারে। যা নির্বাচন অফিসারের তদন্ত, প্রমাণপত্র যাচাই এবং কাজের চাপের উপর নির্ভর করে। উদাহরণস্বরূপ, সাধারণ সংশোধন ৭-১৫ দিনে সম্পন্ন হয় কিন্তু স্থানান্তর বা জটিল পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিলম্ব হতে পারে। বর্তমান স্থগিতার কারণে প্রক্রিয়া শুরু হলে এই সময়কাল প্রযোজ্য হবে।

ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য কিভাবে সংশোধন করা যায়?

ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য সংশোধন করার জন্য দুটি প্রধান উপায় রয়েছে: অনলাইন এবং অফলাইন। প্রত্যেকটিতে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র আপলোড বা জমা দিতে হবে। বর্তমানে অনলাইন সেবা স্থগিত থাকায় অফলাইন উপায়ই প্রধান।

  • অনলাইন উপায়: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (www.nidw.gov.bd) থেকে অ্যাকাউন্ট তৈরি করে লগইন করুন। ‘Correction’ সেকশনে গিয়ে ভুল তথ্য সংশোধন করে আবেদন জমা দিন। প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট স্ক্যান করে আপলোড করুন। আবেদন জমা দেওয়ার পর SMS-এর মাধ্যমে স্ট্যাটাস চেক করুন।
  • অফলাইন উপায়: নিকটস্থ উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে ফর্ম-২ (সংশোধনের জন্য) পূরণ করুন। প্রমাণপত্রসহ স্বশরীরে জমা দিন। অফিসার যাচাই করে অনুমোদন দেবেন। স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ফর্ম-১৩ ব্যবহার করুন।

যেকোনো উপায়েই আবেদনের সাথে যথাযথ প্রমাণপত্র সংযুক্ত করতে হবে, না হলে আবেদন প্রত্যাখ্যাত হবে।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি কাগজপত্র লাগে

সংশোধনের ধরন অনুসারে কাগজপত্রের প্রয়োজনীয়তা পরিবর্তিত হয়। নিম্নে একটি তালিকা দেওয়া হলো যা সাধারণ এবং অত্যাবশ্যকীয় কাগজপত্র:

সংশোধনের ধরনপ্রয়োজনীয় কাগজপত্র
জন্মতারিখ/নাম সংশোধন– জন্ম নিবন্ধন সনদ (অনলাইন যাচাইকৃত)

– SSC/সমমান সার্টিফিকেট (যদি প্রযোজ্য হয়)

– পাসপোর্ট/ড্রাইভিং লাইসেন্স/ব্যাঙ্ক প্রত্যয়নপত্র (যেকোনো একটি)

পিতা/মাতার নাম সংশোধন– পিতা/মাতার NID কার্ডের ফটোকপি

– জন্ম নিবন্ধন সনদ

– ভাই/বোনের NID/জন্ম সনদ/শিক্ষা সনদ (যদি প্রযোজ্য)

বিবাহিত/স্বামী/স্ত্রীর নাম সংশোধন– নিকাহনামা/বিবাহ সনদের অনুলিপি

– স্বামী/স্ত্রীর NID কার্ডের ফটোকপি

বাসস্থান/ঠিকানা পরিবর্তন– চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কমিশনারের প্রশংসাপত্র

– ইউটিলিটি বিল (গ্যাস/বিদ্যুৎ)/ভাড়া চুক্তি/হোল্ডিং ট্যাক্স রশিদ

– পরিবারের সদস্যের NID কপি

রক্তের গ্রুপ সংশোধন/যোগ– মেডিকেল রিপোর্ট/রক্ত পরীক্ষার সনদ
সাধারণ/অন্যান্য (যেমন: শিক্ষাগত যোগ্যতা, ধর্ম)– সার্ভিস বুক (সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য)

– ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হলফনামা (ভুল স্বীকারের জন্য)

– পাসপোর্ট/ড্রাইভিং লাইসেন্স (অতিরিক্ত প্রমাণ হিসেবে)

ভোটার আইডি কার্ডের সংশোধনের ক্ষেত্রে রেকর্ড 

ভোটার আইডি কার্ডের যেকোনো সংশোধনের রেকর্ড কেন্দ্রীয় ডাটাবেজে সংরক্ষিত হয়। তা অবশ্যই হোক অফলাইন পদ্ধতিতে বা অনলাইনের মাধ্যমে, সকল সংশোধনের তথ্য কেন্দ্রীয় ডাটাবেজে স্থায়ীভাবে রেকর্ড হিসেবে সংরক্ষিত থাকে।

অবিবাহিত ব্যক্তির ভোটার আইডি কার্ডে পিতার নামের পরিবর্তে স্বামীর নাম উল্লেখ হলে সংশোধনের পদ্ধতি

যদি কোনো অবিবাহিত ব্যক্তির ভোটার আইডি কার্ডে পিতার নামের স্থানে স্বামীর নাম উল্লেখ করা হয়, তবে এই ভুল সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রসহ আবেদন করতে হবে। আবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে যে ব্যক্তিটি বিবাহিত নন।

ভুলক্রমে পিতা, স্বামী বা মাতাকে মৃত হিসেবে উল্লেখ করা হলে সংশোধনের পদ্ধতি

যদি ভুলবশত পিতা, স্বামী বা মাতাকে মৃত হিসেবে ভোটার আইডি কার্ডে উল্লেখ করা হয়, তবে সংশোধনের জন্য উক্ত ব্যক্তির জীবিত থাকার প্রমাণপত্রসহ আবেদন করতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মধ্যে রয়েছে:

  • উক্ত জীবিত ব্যক্তির মেডিকেল পরীক্ষার রিপোর্ট,
  • জাতীয় পরিচয়পত্র।

বিবাহের পর স্বামীর নাম সংযোজন বা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া

বিবাহের পর স্বামীর নাম ভোটার আইডি কার্ডে সংযোজন বা পরিবর্তনের জন্য নিম্নলিখিত কাগজপত্রসহ আবেদন করতে হবে:

  • বিবাহের নিকাহনামা বা বিবাহ সনদ,
  • স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি। আবেদনটি এনআইডি নিবন্ধন শাখা বা সংশ্লিষ্ট উপজেলা/জেলা নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে দাখিল করতে হবে।

বিবাহ বিচ্ছেদের পর স্বামীর নাম ভোটার আইডি কার্ড থেকে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া

বিবাহ বিচ্ছেদের পর স্বামীর নাম ভোটার আইডি কার্ড থেকে বাদ দেওয়ার জন্য বিবাহ বিচ্ছেদের সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র, যেমন ডিভোর্স লেটার বা তালাকনামা, আবেদনের সাথে সংযুক্ত করে এনআইডি নিবন্ধন শাখা বা সংশ্লিষ্ট জেলা/উপজেলা নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে আবেদন করতে হবে।

ভোটার আইডি কার্ডে পেশা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া

যদিও বর্তমানে ভোটার আইডি কার্ডে পেশার তথ্য সাধারণত মুদ্রিত হয় না, তবুও পেশা পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রসহ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অথবা উপজেলা/জেলা নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে আবেদন করা যায়।

ভোটার আইডি কার্ডের ছবি অস্পষ্ট হলে করণীয়

ভোটার আইডি কার্ডের ছবি অস্পষ্ট হলে বা ছবি পরিবর্তন করতে হলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা জেলা নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে গিয়ে আবেদন করতে হবে এবং নতুন ছবি তোলাতে হবে।

নাম, পিতার নাম, মাতার নাম বা স্বামীর নামের বানান ভুল হলে করণীয়

নাম, পিতার নাম, মাতার নাম বা স্বামীর নামের বানান ভুল হলে সংশোধনের জন্য নিম্নলিখিত কাগজপত্র প্রদান করতে হবে:

  • শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ,
  • অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ,
  • নাগরিকত্ব সনদ (স্বাক্ষরিত),
  • বিবাহের ক্ষেত্রে নিকাহনামা বা বিবাহ সনদ এবং স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্র। এই কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে আবেদন করতে হবে।

পিতা বা মাতার মৃত্যুর কারণে তাদের নাম ভোটার পরিচয়পত্রে উল্লেখ করতে হলে কী করতে হবে?

যদি আবেদনকারীর পিতা বা মাতা মৃত হয়ে থাকেন এবং ভোটার পরিচয়পত্রে তাদের মৃত্যুর তথ্য উল্লেখ করতে হয়, তবে সংশ্লিষ্ট পিতা বা মাতার মৃত্যু সনদপত্রের সত্যায়িত অনুলিপি উপজেলা নির্বাচন অফিসে সংশোধনের আবেদনের সঙ্গে জমা দিতে হবে।

ডাকনাম অন্য নামে নিবন্ধিত হলে সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কী?

যদি কোনো নাগরিকের ডাকনাম অন্য নামে নিবন্ধিত হয়, তবে নাম সংশোধনের জন্য নিম্নলিখিত কাগজপত্র প্রয়োজন:

  • নাম সংশোধনের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে সম্পাদিত এফিডেভিট।
  • জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় নাম পরিবর্তনের বিজ্ঞপ্তির প্রমাণ।
  • ওয়ারিশ সনদ।
  • বাসস্থানের ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশন থেকে নাম সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র এবং প্রশংসাপত্র। এছাড়াও আবেদনকারীর পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত অনুলিপি প্রয়োজন। বিবাহিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে স্বামী/স্ত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত অনুলিপি দাখিল করতে হবে।

ঠিকানা পরিবর্তন বা সংশোধনের জন্য কী করতে হয়?

ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য উপজেলা নির্বাচন অফিসে বা অনলাইনের মাধ্যমে ঠিকানা পরিবর্তনের আবেদনপত্র জমা দিতে হয়।

একই পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের কার্ডে পিতা-মাতার নাম ভিন্নভাবে লেখা থাকলে সংশোধনের প্রক্রিয়া কী?

যদি একই পরিবারের সন্তানদের পরিচয়পত্রে পিতা-মাতার নাম ভিন্নভাবে লেখা থাকে, তবে সকল সন্তানের পরিচয়পত্রসহ পিতা-মাতার পরিচয়পত্র নিয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসে সংশোধনের আবেদন করতে হবে।

ভুল করে শিক্ষাগত যোগ্যতা উল্লেখ করা হয়েছে এবং বাস্তবে শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকলে সংশোধনের জন্য কী করতে হবে?

যদি ভুল করে শিক্ষাগত যোগ্যতা উল্লেখ করা হয় এবং বাস্তবে তা না থাকে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকার বিষয়ে একটি এফিডেভিট সম্পাদন করতে হবে। উক্ত এফিডেভিটের সত্যায়িত অনুলিপি সহ উপজেলা নির্বাচন অফিসে সংশোধনের আবেদন জমা দিতে হবে।

রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত বা সংশোধনের জন্য কী করতে হবে?

রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত করতে বা সংশোধন করতে গ্রুপ নির্ণয়ের ডায়াগনস্টিক রিপোর্টের সত্যায়িত অনুলিপি সহ উপজেলা বা জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন জমা দিতে হবে।

স্বাক্ষর সংশোধনের জন্য কী করতে হবে?

স্বাক্ষর সংশোধনের জন্য নতুন স্বাক্ষরের নমুনা এবং গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র সংযুক্ত করে আবেদন করতে হবে। তবে স্বাক্ষর একবারই পরিবর্তন করা যায়।

প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র ছাড়া কি ভোটার পরিচয়পত্র সংশোধন করা সম্ভব?

না, প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র ছাড়া ভোটার পরিচয়পত্র সংশোধন করা সম্ভব নয়। সংশোধনের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র সংগ্রহ করে আবেদন করতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে তথ্য জানতে উপজেলা নির্বাচন অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে।

এনআইডি কার্ড সংশোধনের আবেদনের অবস্থা যাচাই করার উপায় কী?

সংশোধনের আবেদনের অবস্থা যাচাই করতে service.nidw.gov.bd ওয়েবসাইটে নিজের অ্যাকাউন্টে লগইন করতে হবে। লগইনের পর নিম্নলিখিত তথ্য দেখা যাবে:

  • “আবেদনটি পেন্ডিং রয়েছে” মানে আবেদন প্রক্রিয়াধীন।
  • “আবেদনটি বাতিল করা হয়েছে” মানে আবেদন বাতিল হয়েছে।
  • “আবেদনটি গ্রহণ করা হয়েছে/আবেদনটি সফল হয়েছে” মানে সংশোধনের আবেদন গৃহীত হয়েছে এবং তথ্য পরিবর্তিত হয়েছে।

ভোটার পরিচয়পত্র সংশোধনের জন্য কত খরচ হয়?

ভোটার পরিচয়পত্র সংশোধনের খরচ সংশোধনের ধরনের উপর নির্ভর করে। সাধারণত সংশোধনের জন্য ১১৫ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৩৫০ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফরম PDF

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় ফরম PDF আকারে সংগ্রহ করতে চাইলে services.nidw.gov.bd/resources/forms/New_Correction_Form.pdf লিঙ্ক থেকে উক্ত ফরমটি ডাউনলোড করতে পারেন। অথবা নিকটবর্তী উপজেলা বা জেলা নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় থেকে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফরমের ফটোকপি সংগ্রহ করা যায়।

ভোটার আইডি কার্ড কতবার সংশোধন করা যায়
ভোটার আইডি কার্ড কতবার সংশোধন করা যায়

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন নোটিশ এবং পরিপত্রগুলি প্রাসঙ্গিক কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বা নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল উৎস থেকে সংগ্রহ করা যায়।

শেষ কথা

আশা করা যায়, এই লেখার মাধ্যমে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফরম সংগ্রহের পদ্ধতি এবং এর সাথে সম্পর্কিত বিষয়গুলি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য স্পষ্টভাবে জানা গেছে। ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন প্রক্রিয়া সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন বা সন্দেহ থাকলে মন্তব্যের মাধ্যমে আমাদের জানানো যেতে পারে। আমরা আপনাদের প্রশ্নের সমাধান প্রদানের চেষ্টা করব।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button